কুমিল্লার গোমতী নদীর পানি কমতে শুরু করেছে। গত কয়েক দিনে ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পানিতে বিপৎসীমার ১৩৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিতের রেকর্ড করেছে গোমতী। এর আগে কখনো গোমতী এতো পানি ধারণ করেনি।
শনিবার (২৪ আগস্ট) সকাল ৯টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত গত ২৪ ঘণ্টায় প্রায় ৩৬ সেন্টিমিটার পানি কমেছে। তবে প্লাবিত হচ্ছে বুড়িচংয়ের নতুন নতুন এলাকা।কুমিল্লা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী খান মো. ওয়ালিউজ্জামান জাগো নিউজকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে বুড়িচং এলাকায় গোমতীর বাঁধ ভাঙার ফলে শক্রবার সকাল থেকে নদীতে পানি কমতে শুরু করেছে। বর্তমানে ৩৬ সেন্টিমিটার কমে এখনো বিপৎসীমার ৯৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। আশা করছি উজানে বৃষ্টি না হলে ধীরে ধীরে পানি কমে যাবে। তবে এখনো আমরা ঝুঁকিতে রয়েছি। যা খুবই বিপজ্জনক।
তিনি আরও বলে, বুড়বুড়িয়া এলাকায় ধসে পাড়া গোমতী বাঁধ ক্রমেই প্রসস্ত হয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে প্রায় দেড় থেকে পৌনে দুইশো মিটার প্রসস্ত হয়ে নদী থেকে পানি বের হয়ে যাচ্ছে।এর আগে বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) মধ্যরাতে বুড়িচং উপজেলার ষোলনল ইউনিয়নের বুড়বুড়িয়া এলাকার গোমতী বাঁধের একটি অংশ ধসে লোকালয়ে পানি ঢুকতে থাকে। এতে শনিবার সকাল পর্যন্ত বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় প্রায় সোয়া লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।