জার্মান জাতীয় দলের নতুন অধিনায়ক হিসেবে বায়ার্ন মিউনিখের তারকা মিডফিল্ডার জসুয়া কিমিচকে মনোনীত করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত জার্মান ফুটবলে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা করেছে।
কেন কিমিচ?
নেতৃত্বের গুণ: কোচ জুলিয়ান নাগলেসম্যানের মতে, কিমিচ একজন জন্মজাত নেতা। তিনি মাঠে সবসময় শতভাগ দেন এবং অন্য খেলোয়াড়দের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস।
অভিজ্ঞতা: ২০১৬ সাল থেকে জাতীয় দলে খেলছেন কিমিচ। তিনি দলের অন্যতম অভিজ্ঞ খেলোয়াড়।
দলের সাথে ঘনিষ্ঠতা: রুডিগার ও হাভার্টজের মতো তিনিও দলের সাথে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রাখেন।
পূর্ব অভিজ্ঞতা: গত বছর থেকে তিনি দলের সহ-অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
কিমিচের পথ:
স্টুটগার্ট থেকে বায়ার্ন: স্টুটগার্টের যুব দল থেকে ক্যারিয়ার শুরু করে কিমিচ ২০১৫ সালে বায়ার্নে যোগ দেন।
জাতীয় দলে অভিষেক: ২০১৬ সালে জাতীয় দলে অভিষেক হয় তার।
বায়ার্ন ও জার্মানির জন্য অবদান: বায়ার্ন ও জার্মান দলের জন্য তিনি অনেক গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ খেলেছেন।
বহুমুখী প্রতিভা: মিডফিল্ডার হলেও তাকে প্রায়ই ডিফেন্ডার হিসেবে খেলতে হয়।
লাহমের সাথে তুলনা:
কিমিচকে প্রায়শই বায়ার্ন মিউনিখের সাবেক তারকা খেলোয়াড় ফিলিপ লাহমের সাথে তুলনা করা হয়। উভয়েই বায়ার্ন ও জার্মান দলের জন্য অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন।
ভবিষ্যতের জন্য আশা:
জসুয়া কিমিচের নেতৃত্বে জার্মান ফুটবলের নতুন যুগের সূচনা হতে পারে। তিনি যদি এই দায়িত্ব সফলভাবে পালন করতে পারেন, তাহলে জার্মান দল আবারো বিশ্ব ফুটবলে শীর্ষে ফিরে আসতে পারে।