গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর রাজধানীর ২২টি থানায় হামলা, ভাংচুর এবং লুটপাটের ঘটনা ঘটে। তখন থেকে থানাগুলোতে নিত্য সেবা থমকে যায়। দীর্ঘ দুই মাস পর ক্ষতিগ্রস্ত ১০ থানাকে ১০টি নতুন গাড়ি দেওয়া হলো। এ গাড়ি পেয়ে থানাগুলোর কার্যক্রমে গতি আসবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বুধবার (৯ অক্টােবর) সকালে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স মাঠে এসব গাড়ি থানাগুলোর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হাতে তুলে দেওয়া হয়।
এ সময় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিক, ফাইন্যান্স অ্যান্ড প্রকিউরমেন্ট) হাসান মো. শওকত আলী থানা সংশ্লিষ্ট চালকদের কাছে গাড়িগুলো হস্তান্তর করেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, থানার সক্ষমতা বাড়াতে ও পুলিশের পেট্রোলিং কার্যক্রম জোরদার করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) ১০টি থানায় নতুন ১০টি গাড়ি দেওয়া হয়েছে।
এ সময় শওকত আলী বলেন, আমাদের ২২টি থানা ও ১৮৬টি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৯৭টি গাড়ি পুড়ে গেছে যেগুলো আর কখনো ব্যবহার করা সম্ভব হবে না। আমরা প্রাথমিকভাবে হিসাব করেছি আমাদের প্রায় ৯ কোটির মতো লজিস্টিক সাপোর্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যেসব লজিস্টিক রিফিল করার মতো সেসব লজিস্টিক আমরা ইতোমধ্যে রিফিল করে ফেলেছি। পর্যায়ক্রমে যেসব থানার ইনফ্রাস্ট্রাকচার ঠিক রয়েছে, সেসব থানায় আমরা এসব প্রেরণ করছি। এখন সবগুলো থানাই সচল আছে।
গাড়ি হস্তান্তরের আগে হাসান মো. শওকত আলী আরও বলেন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণের জন্য পুলিশের গতিশীলতা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেজন্য পুলিশের যানবাহনও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বিষয়টিকে সামনে রেখে ডিএনপি কমিশনার বহরের ৫০টি নতুন গাড়ি নিজ তহবিল থেকে সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছেন। তারই অংশ হিসাবে প্রাথমিকভাবে আমরা আজ ১০টি গাড়ি আমাদের বহরে যুক্ত করছি। পর্যায়ক্রমে আরো ৪০টি গাড়ি যুক্ত হবে। ৫০টি থানায় মোট ৫০টি গাড়ি দেওয়া হবে। সেসব থানার কার্যক্রমে এই গাড়িগুলো ব্যবহৃত হবে।