একজন জনপ্রিয় অভিনেত্রী হলেও মাটিতে পা রেখেই চলেন দুই বাংলার নন্দিত অভিনেত্রী জয়া আহসান। নিজের বাড়িতেই নিয়মিত সবজি-ফল ফলাদি চাষ করেন, নিজ হাতেই যত্ন নেন গাছগুলোর। জমি তৈরির কাজ থেকে ফলন পর্যন্ত থাকে তার পরিশ্রম, হাতের ছোঁয়া। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া জয়ার একটি ভিডিওতে তার এই সাধারণ ও পরিশ্রমে ঘেরা রূপটি নতুন করে ধরা পড়েছে ভক্তদের কাছে।
ছড়িয়ে পড়া সেই ভিডিওতে দেখা যায়, মেকআপহীন সাদামাটা পোশাকে খালি পায়ে রীতিমতো কৃষিকাজে ব্যস্ত এই তারকা। দীর্ঘক্ষণ ধরে নিজের হাতে কোদাল চালাচ্ছেন তিনি। বাগানের মাটি প্রস্তুত করতে একজন সহায়তাকারীর সঙ্গে মিলে মাটিতে গোবর সার মেশাতে দেখা যায় তাকে। এ সময় বেশ আনন্দের সঙ্গেই তিনি নিজের বাগানের বিভিন্ন গাছের সঙ্গে নেটিজেনদের পরিচয় করিয়ে দেন। জানান, তার বাগানে রয়েছে জবা, ঘুমন্ত জবাসহ নানা ধরনের গাছ।
পর্দায় গ্ল্যামারাস অভিনেত্রীকে এমন মাটির কাছাকাছি রূপে দেখে মুগ্ধ নেটিজেনরা। সামাজিক মাধ্যমে ভিডিওটির মন্তব্যের ঘরে প্রশংসায় ভাসছেন জয়া। কেউ তাকে বলছেন ‘মাটির মানুষ’, কেউবা লিখছেন ‘মাটির সঙ্গে বন্ধুত্ব, এটা সুন্দর’।
আরেক একজন অনুরাগী মন্তব্য করেছেন, ‘কোদাল দিয়ে কাজ করলে মনে হয় বয়স ধরে রাখা সম্ভব।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘সুন্দর আর স্লিম থাকার রহস্যই হলো কাজ করা।’আবার জয়ার এই পরিশ্রমের প্রশংসা করতে গিয়ে কেউ কেউ রসিকতা করে লিখেছেন, ‘আর আমাদের কিছু সখিনা আছে, তারা নিজেদের ফ্যামিলির রান্না করার জন্য বাহানা খোঁজে।’
আবার জয়ার এই পরিশ্রমের প্রশংসা করতে গিয়ে কেউ কেউ রসিকতা করে লিখেছেন, ‘আর আমাদের কিছু সখিনা আছে, তারা নিজেদের ফ্যামিলির রান্না করার জন্য বাহানা খোঁজে।’
বয়সকে পেছনে ফেলে নিজের সৌন্দর্য ও ফিটনেস ধরে রেখে প্রায়ই আলোচনায় থাকেন জয়া আহসান। তবে চিরাচরিত কঠোর জিম বা কঠিন ডায়েট নয়, নিজের ফিটনেস ধরে রাখার পেছনে ব্যতিক্রমী এই কায়িক পরিশ্রমই মূল ভূমিকা রাখছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। এর আগে ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জয়া জানিয়েছিলেন, নিয়মিত জিম করার প্রতি তার খুব একটা আগ্রহ নেই। সাধারণত কোনো নতুন সিনেমার শুটিং শুরুর কয়েক মাস আগে প্রয়োজনভেদে পিলাটিজ বা শরীরচর্চা করেন তিনি। তবে ফিট থাকতে দৈনন্দিন কায়িক শ্রমেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন এই তারকা।
নিজের বাড়ির আঙিনায় মাটি প্রস্তুত করা থেকে শুরু করে প্রয়োজনে কোদাল দিয়ে মাটি কোপানোর কাজও তিনি নিজে করেন। তার কথায়, ‘জিম করা যে দরকার, তা অস্বীকার করি না। কিন্তু নিয়মিত জিম করা হয় না আমার। আসলে যে যার মতো করে ফিট থাকার চেষ্টা করেন। আমি যেমন চাষ করি। সে সময়ে মাটি তৈরি করা থেকে শুরু করে, দরকারে কোদাল দিয়ে মাটি কোপানোর কাজও করি।’