ম্যানচেস্টার ডার্বিতে অনাকাঙ্ক্ষিত এক ঘটনায় লাল কার্ড দেখেছেন ফিল ফোডেন। অথচ একই ঘটনায় ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড অধিনায়ক ব্রুনো ফার্নান্দেজ কোনো শাস্তিই পাননি। এমনকি দেখেননি হলুদ কার্ডও। ম্যাচের পর তাই প্রশ্ন উঠেছে রেফারিং নিয়ে।
ঘটনাটি ম্যাচের প্রথমার্ধে, ২৩ মিনিটে। বাম প্রান্তের টাচলাইনের কাছে বল মাঠের বাইরে চলে যাওয়ার পর ফার্নান্দেজ ও ফোডেনের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে ফোডেন মাটিতে পড়ে যান। ইউনাইটেড অধিনায়ক তখন ম্যানচেস্টার সিটির ফরোয়ার্ডকে লাথি মারেন। জবাবে ফোডেনও ফার্নান্দেজের পেটে লাথি মারেন। সঙ্গে সঙ্গে রেফারি মাইকেল অলিভার ফোডেনকে লাল কার্ড দেখান।
সিদ্ধান্তটি নিয়ে বিস্মিত ছিলেন সিটির সমর্থকরা, এমনকি কোচ এনজো মারেস্কাও। অন্যদিকে একই ঘটনায় ফার্নান্দেজ কোনো শাস্তি না পাওয়ায় তিনি বেশ ভাগ্যবানই ছিলেন বলে মনে করছেন সাবেক ইউনাইটেড মিডফিল্ডার রয় কিন।
কিনের মতে, এই ঘটনায় ফার্নান্দেজই আগে আক্রমণাত্মক আচরণ করেছেন। তিনি বলেন, ‘আমি ধরে নিচ্ছি এটাকে সহিংস আচরণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। কিন্তু আমার কাছে মনে হয়েছে, এখানে ব্রুনোই সহিংস আচরণ করেছে।’
কিন আরও বলেন, ‘ফোডেন এখানে একটু বোকামি করেছে, কিন্তু ব্রুনোও কম যায়নি। ব্রুনো যদি এ ঘটনায় লাল কার্ড দেখত এবং ফোডেনের কিছুই না হতো, তাহলে আমরা বলতাম, ‘ব্রুনো একটু বোকামি করেছে, একটু বেপরোয়া হয়েছে।’
ডার্বির উত্তেজনাকে অজুহাত হিসেবে দেখারও সুযোগ নেই বলে মনে করেন কিন। তার ভাষায়, ‘মানুষ বলে ম্যাচে উত্তেজনা থাকে, এটা বড় ম্যাচ। কিন্তু আপনাকে নিজের সতীর্থদের পাশাপাশি প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়দের কথাও মাথায় রাখতে হবে।’ ফোডেনের লাল কার্ডের সিদ্ধান্ত নিয়েও অবশ্য কিন একমত নন। তিনি বলেন, ‘আমার মনে হয় না ফোডেনের লাল কার্ড হওয়া উচিত ছিল।’