সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।
শনিবার (১৫ আগস্ট) বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে এ আয়োজন করা হয়।
মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে ঢাকা-৫ ও ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য, জবির উপাচার্য ও জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক, বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
দোয়া মাহফিলে বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক জীবনের বিভিন্ন দিক স্মরণ করা হয়। পরে তার আত্মার মাগফিরাত, দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
দোয়া মাহফিলে ঢাকা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, বাংলাদেশে সবার প্রিয় ও সবার কাছে গ্রহণযোগ্য ব্যক্তিত্ব, বেগম খালেদা জিয়ার আজকে জন্মবার্ষিকী। জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আমরা তার জন্য দোয়া করি। বিগত ১৭ বছরে আন্দোলন সংগ্রামে বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে কিন্তু বেগম জিয়া আমাদের মাঝে নেই। আমি ওনার আত্মার মাগফিরাত কামনা করি। আল্লাহ ওনার ভালো কাজগুলো কবুল করে ওনাকে জান্নাতবাসী হিসেবে কবুল করুক।
ঢাকা-৭ আসনের সংসদ সদস্য হামিদুর রহমান হামিদ বলেন, বাংলাদেশের তিন বারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকী আয়োজকদের ধন্যবাদ জানাই। ম্যাডাম জিয়া আমাদের মাঝে সবসময় ছিলেন, কখনো ছেড়ে যান নাই। তিনি দেশকে, দেশের মাটিকে, আমাদের কর্মীদের যেভাবে ভালোবেসে গেছেন, আল্লাহ তায়ালা তাকে জান্নাত নসীব করুক। আপনারা তার জন্য, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জন্য এবং তার সন্তান ও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য দোয়া করবেন।
জবির উপাচার্য বলেন, আমরা দোয়া করতে বসেছি। যার জন্য দোয়া করতে বসেছি সে আমাদের সকলের আবেগের নাম, আমাদের এই বিশ্ববিদ্যালয় আমরা তার জন্য পেয়েছি। আজকে তার জন্য আমরা দোয়া করবো। আল্লাহ রবুল আল-আমীন তাকে যেন জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।
জবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান হিমেল বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেছেন। এটি আমাদের আবেগের জায়গা। বেগম খালেদা জিয়ার ৮১তম জন্মবার্ষিকীতে আমরা সবাই তার জন্য দোয়া করি ও তার আত্মার মাগফেরাত কামনা করি।
দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, রেজিস্ট্রার, সহকারী প্রক্টর, শিক্ষক সমিতির নেতারা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের আহ্বায়ক, সদস্য সচিবসহ শাখা পর্যায়ের নেতাকর্মী ও কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের নেতাদের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।