বাংলাদেশে ডিমের চাহিদা মেটাতে সাম্প্রতিক সময়ে ভারত থেকে বড় পরিমাণে ডিম আমদানি করা হয়েছে। গত রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর), বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দুই লাখ ৩১ হাজার ৪০টি ডিম দেশে প্রবেশ করে। এই ডিমের আমদানি কারক প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশের রাতুল ইন্টারন্যাশনাল এবং ভারতের শ্রী লাক্সমি নারায়ণ ভান্ডার।
আমদানি করা ডিমের কিছু বিস্তারিত তথ্য:
ডিমের পরিমাণ: মোট ২,৩১,০৪০টি ডিম
প্যাকেজিং: ১১০৪টি কার্টুনে ভরে ডিম আনা হয়েছে
প্রতি কার্টুনে ডিম: ২১০টি
মোট মূল্য: ১১,১৭২.০৬ মার্কিন ডলার (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৩ লাখ ৪৮ হাজার)
আগের আমদানি: ২০১৩ সালের ৫ নভেম্বর সর্বশেষ ডিমের চালান বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশ করেছিল।
ডিম আমদানির উদ্দেশ্য:
#বাজার স্থিতিশীল করা: দেশে ডিমের বাজারে যে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, তা কাটিয়ে উঠতে এই আমদানি করা হচ্ছে।
#সরবরাহ বাড়ানো: দেশের চাহিদা মেটাতে ডিমের সরবরাহ বাড়ানোর লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আমদানিকারকের মন্তব্য:
রাতুল ইন্টারন্যাশনালের স্বত্বাধিকারী আব্দুল লতিফ জানিয়েছেন, ডিমের বাজার স্থিতিশীল করতে আরও বেশি পরিমাণে ডিম আমদানি করা প্রয়োজন। তিনি আশা করছেন, এই আমদানির ফলে দেশের সাধারণ মানুষ স্বল্পমূল্যে ডিম কিনতে পারবেন।
বাংলাদেশে ডিমের চাহিদা মেটাতে এবং বাজার স্থিতিশীল করার লক্ষ্যে ভারত থেকে বড় পরিমাণে ডিম আমদানি করা হচ্ছে। এই আমদানির ফলে দেশের গ্রাহকরা স্বল্পমূল্যে ডিম পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।