বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, শহীদ জেহাদের রক্ত স্রোতের ধারা বেয়েই সে বছর সংঘটিত হয় গণঅভ্যুত্থান, পতন হয় স্বৈরশাসক এরশাদের।
বৃহস্পতিবার (১০ অক্টোবর) শহীদ জেহাদ দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বাণীতে এসব কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, আমি স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের অকুতোভয় সৈনিক শহীদ নাজির উদ্দিন জেহাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। তার রুহের মাগফিরাত কামনা করি।
তারেক রহমান বলেন, রক্তমাখা ওই আন্দোলন ছিল বহুদলীয় গণতন্ত্র, মতপ্রকাশ ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠার। নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী গণআন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে গিয়ে শহীদ জেহাদ পুলিশের বুলেট নিজের বুকে বরণ করে নেন। শাহাদাতবরণ করেন এ অকুতভয় ছাত্রনেতা। তার রক্ত স্রোতের ধারা বেয়েই সে বছর সংঘটিত হয় গণঅভ্যুত্থান, পতন হয় স্বৈরশাসক এরশাদের।
তারেক রহমান আরও বলেন, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের অপরিহার্য শর্ত হলো নির্বাচনকালীন নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার। গণতন্ত্র মানে শুধু নির্বাচন নয়, গণতন্ত্র মানে মানুষের স্বাধীনতা ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা। তাই শহীদ জেহাদের আত্মত্যাগের প্রেরণাকে বুকে ধারণ করেই দেশি-বিদেশি অপশক্তির চক্রান্ত প্রতিহত, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার করতে হবে।
এদিকে রাজধানীর অভিজাত গুলশান ক্লাবের সদস্যপদ ফিরে পেয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বিগত সরকারের আমলে বেআইনিভাবে ক্লাবের নির্বাচনের আগের রাতে (২২ ডিসেম্বর, ২০২৩) এক গোপন বৈঠকের মাধ্যমে তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদ তার সদস্যপদ বাতিল করে। পরবর্তী সময়ে বর্তমান বোর্ড বিষয়টি জানতে পেরে ক্লাবের পরিচালক (আইন) ব্যারিস্টার সুমাইয়া আজিজ ল’ কমিটি গঠনের মাধ্যমে তার সদস্যপদ পুনর্বহাল করেন।
গত মঙ্গলবার গুলশান ক্লাবের ১৪তম বোর্ড মিটিংয়ে বিষয়টি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি করে তারেক রহমানের সদস্যপদ পুনর্বহাল করা হয়।
এ বিষয়ে ব্যারিস্টার সুমাইয়া আজিজ বলেন, আইনজীবী হিসেবে প্রত্যেক সদস্যের পদ রক্ষা ও তার অধিকার নিশ্চিত করা আমাদের দায়িত্ব। এ ধরনের বেআইনি পদক্ষেপ যেমন দুঃখজনক, তেমনি প্রশ্নবোধক। গুলশান ক্লাব একটি পরিবার। এর একজন সদস্য (পরিচালক) হিসেবে সব সদস্যের জন্য নিবেদিতভাবে আমরা কাজ করার চেষ্টা করছি।