সুন্দর সমাজ গড়তে বিশ্বস্ততার গুণটি যে কারণে অপরিহার্য

সেপ্টেম্বর 22, 2026
by

বিশ্বস্ততা মানুষের সামাজিক আচরণের অন্যতম মহান নৈতিক গুণ। এটি নববী নির্দেশনা ও কোরআনের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা। মানুষের আত্মশুদ্ধি, স্বভাবের নির্মলতা এবং ঈমানের সুস্থতার ক্ষেত্রে এই গুণের গুরুত্ব অনেক। পবিত্র কোরআনে অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি রক্ষার প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যারা আল্লাহর সঙ্গে করা অঙ্গীকার পূর্ণ করে, তাদের জন্য আল্লাহ তায়ালা পুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন এবং কোরআনে তাদের প্রশংসা করেছেন।

আল্লাহ তায়ালা বলেন, যে আল্লাহর সঙ্গে করা অঙ্গীকার পূর্ণ করে, তিনি তাকে অবশ্যই মহাপুরস্কার দেবেন। (সুরা আল-ফাতহ, আয়াত: ১০)

অন্য আয়াতেও এই পুরস্কারের মর্যাদা তুলে ধরে আল্লাহ বলেন, বোধশক্তিসম্পন্ন লোকেরাই উপদেশ গ্রহণ করে। তারা আল্লাহর সঙ্গে করা অঙ্গীকার পূর্ণ করে এবং অঙ্গীকার ভঙ্গ করে না। (সুরা আর-রাদ, আয়াত: ১৯-২০)

কোরআনে বিভিন্ন ধরনের অঙ্গীকার, আমানত ও মানুষের অধিকার পূরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে মাপ ও ওজন ঠিকভাবে দেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে। এটি সরাসরি মানুষের অধিকারের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাদের জীবন ও জীবিকার ওপর এর প্রভাব পড়ে। তাই এ ক্ষেত্রে কোনো ধরনের অবহেলার সুযোগ নেই। কারণ মাপ ও ওজনের বিষয়টি মানুষের পারস্পরিক অধিকার ও লেনদেনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। যথাযথ মাপ ও ওজন নিশ্চিত করা মানুষের জীবনযাত্রাকে সুশৃঙ্খল করে এবং তাদের অধিকার সংরক্ষণ করে। এ কারণেই কোরআনে পাঁচবার এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আল্লাহ বলেন, ন্যায়সংগতভাবে মাপ ও ওজন পূর্ণ করো। (সুরা আনআম, আয়াত: ১৫২)

আল্লাহ তায়ালা আরও বলেন, যখন মাপবে, তখন পূর্ণ মাপ দেবে এবং সঠিক দাঁড়িপাল্লায় ওজন করবে। (সুরা আল-ইসরা, আয়াত: ৩৫)

হজরত শুয়াইব আ. ও তার সম্প্রদায়ের ঘটনা কোরআনে বিস্তারিতভাবে এসেছে। তার সম্প্রদায়ের মানুষ অন্যদের ওপর নিজেদের ইচ্ছামতো অন্যায্য বাণিজ্যিক লেনদেন চাপিয়ে দিত। অতিরিক্ত মুনাফা অর্জনের চেষ্টা করতে গিয়ে তারা অন্যের ওপর জুলুম করতো। এমন লেনদেন তাদের সমাজে এতটাই ছড়িয়ে পড়েছিল যে, তা তাদের কাছে স্বাভাবিক ও প্রচলিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছিল।

আল্লাহ তায়ালা হজরত শুয়াইব (আ.)-কে তাদের কাছে পাঠালে তিনি প্রথমে তাদের মূর্তি ও প্রতিমার উপাসনা পরিহারের আহ্বান জানান। এরপর তাদের অন্যায্য ব্যবসায়িক লেনদেন বন্ধ করার নির্দেশ দেন। এর মধ্যে মাপ ও ওজনে কম দেওয়ার বিষয়টি ছিল অন্যতম।

আল্লাহ বলেন, মাদইয়ানের কাছে তাদের ভাই শুয়াইবকে পাঠিয়েছিলাম। তিনি বলেছিলেন, হে আমার সম্প্রদায়, তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো। তিনি ছাড়া তোমাদের আর কোনো উপাস্য নেই। তোমাদের প্রতিপালকের পক্ষ থেকে তোমাদের কাছে সুস্পষ্ট প্রমাণ এসেছে। সুতরাং তোমরা মাপ ও ওজন পূর্ণ করো, মানুষকে তাদের প্রাপ্য জিনিস কম দিও না এবং পৃথিবীতে সংস্কার সাধনের পর তাতে বিপর্যয় সৃষ্টি করো না। এটাই তোমাদের জন্য কল্যাণকর, যদি তোমরা মুমিন হও। (সুরা আল-আরাফ, আয়াত: ৮)

আল্লাহ তায়ালা চুক্তি ও অঙ্গীকার পূরণেরও নির্দেশ দিয়েছেন। তিনি বলেন, হে মুমিনরা, তোমরা অঙ্গীকারগুলো পূর্ণ করো। (সুরা আল-মায়েদা, আয়াত: ১)

এই আয়াতের অর্থ হলো, হে ঈমানদাররা, তোমরা ঈমানের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের চুক্তি ও অঙ্গীকারে আবদ্ধ হয়েছ এবং আনুগত্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছ। সুতরাং যেসব চুক্তি ও অঙ্গীকার তোমরা গ্রহণ করেছ, সেগুলো পূর্ণ করো। আল্লাহ তায়ালা এসব দায়িত্বকে চুক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেন, কারণ তিনি এগুলোকে বান্দাদের সঙ্গে এমনভাবে যুক্ত করেছেন, যেমন শক্ত দড়ি দিয়ে একটি জিনিসের সঙ্গে আরেকটি জিনিস বাঁধা থাকে।

এই আয়াতে ঈমানদারদের তাদের করা সব চুক্তি ও অঙ্গীকার পূর্ণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। তাদের ঈমানদার হিসেবে সম্বোধন করার মধ্যেও বিশেষ তাৎপর্য রয়েছে। কারণ ঈমানের দাবি হলো, মানুষ তার করা অঙ্গীকার পূর্ণ করবে।

কোরআন বিশ্বস্ত মানুষদের সর্বোত্তম গুণে গুণান্বিত করেছে। আল্লাহ বলেন, বোধশক্তিসম্পন্ন লোকেরাই উপদেশ গ্রহণ করে। তারা আল্লাহর সঙ্গে করা অঙ্গীকার পূর্ণ করে এবং অঙ্গীকার ভঙ্গ করে না। (সুরা আর-রাদ, আয়াত: ১৯-২০)

আল্লাহ তাদের বোধশক্তিসম্পন্ন মানুষ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ তাদের বিবেক ও বুদ্ধি তাদের স্রষ্টার সঙ্গে ঈমান ও ইবাদতের ক্ষেত্রে করা অঙ্গীকার এবং মানুষের সঙ্গে লেনদেন ও আচরণের ক্ষেত্রে করা চুক্তি ও প্রতিশ্রুতি রক্ষার শিক্ষা দিয়েছে। তারা কোনো অঙ্গীকার বা চুক্তি ভঙ্গ করে না।

অন্য আয়াতে আল্লাহ তায়ালা তার নেক বান্দাদের গুণাবলি বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, আর যারা অঙ্গীকার করলে তা পূর্ণ করে এবং দুঃখ-কষ্ট, বিপদ ও যুদ্ধের সময় ধৈর্য ধারণ করে, তারাই সত্যবাদী এবং তারাই মুত্তাকি। (সুরা বাকারা, আয়াত: ১৭৭)

আল্লাহ তায়ালা বিশ্বস্ততার মতো এসব নৈতিক গুণের অধিকারীদের সত্যবাদী ও মুত্তাকি হিসেবে বর্ণনা করেছেন। কারণ তারা আল্লাহর সঙ্গে করা অঙ্গীকারে সত্যনিষ্ঠ থাকে এবং যারা অঙ্গীকার ভঙ্গ ও বিশ্বাসঘাতকতা করে, তাদের জন্য ঘোষিত শাস্তিকে ভয় করে।

মহান আল্লাহর এই প্রশংসার মর্যাদা গভীরভাবে চিন্তা করলে বোঝা যায়, এসব মহৎ গুণের অধিকারীদের জন্য কত বড় পুরস্কার প্রস্তুত রয়েছে। আল্লাহ আমাদের তার প্রশংসা ও অনুগ্রহের অংশীদার করুন। তার দেওয়া পুরস্কারই সর্বোত্তম পুরস্কার।

বিশ্বস্ততার এই মহান গুণটি আল্লাহ তায়ালার অন্যতম গুণের সঙ্গেও সম্পর্কিত। তিনি এমন বিশ্বস্ত, যার সঙ্গে কারও বিশ্বস্ততার তুলনা হয় না। আল্লাহ নিজেই বলেছেন, আল্লাহর চেয়ে কে বেশি অঙ্গীকার পূর্ণকারী? (সুরা আত-তাওবা, আয়াত: ১১১)

আল্লাহর নবীরাও ছিলেন বিশ্বস্ততার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। হজরত ইবরাহিম (আ.) বিশ্বস্ততার ক্ষেত্রে এমন অনন্য উদাহরণ স্থাপন করেছেন, যার মতো কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি মানুষের সংখ্যা খুবই কম।

আল্লাহ তায়ালা যখন তাকে নিজ হাতে নিজের প্রিয় সন্তানকে কোরবানি করার নির্দেশ দিলেন, তখন তিনি বিনা দ্বিধায় তার প্রতিপালকের আদেশ মেনে নিলেন। তার সন্তানও আল্লাহর নির্দেশ পালনে বাবার প্রতি সহযোগিতা করলেন। এরপর ইবরাহিম (আ.) তার সন্তানকে কাত করে শুইয়ে দিলেন, যাতে আল্লাহর আদেশ বাস্তবায়ন করতে পারেন। যখন আল্লাহ তার সত্যনিষ্ঠা ও বিশ্বস্ততা দেখলেন, তখন তিনি একটি মহান কোরবানির মাধ্যমে সন্তানকে মুক্ত করে দিলেন। আল্লাহ তার সন্তুষ্টি প্রকাশ করে বললেন, হে ইবরাহিম, তুমি তো স্বপ্নকে সত্যে পরিণত করেছ। এভাবেই আমি সৎকর্মশীলদের পুরস্কৃত করি। (সুরা আস-সাফফাত, আয়াত: ১০৪-১০৫)

আল্লাহর আরেক নবী হজরত ইউসুফ আ.-এর জীবনেও বিশ্বস্ততার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত রয়েছে। তার ভাইয়েরা ষড়যন্ত্র ও প্রতারণা করে তাঁকে কূপের গভীরে ফেলে দিয়েছিল। এমনকি তাদের উদ্দেশ্য ছিল তাঁকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া। এর ফলে তাদের বাবা আল্লাহর নবী হজরত ইয়াকুব আ. গভীর শোকে আক্রান্ত হন। ছেলে ইউসুফের বিচ্ছেদে তাঁর চোখ দুটিও শোকে সাদা হয়ে যায়।

কিন্তু পরবর্তী সময়ে আল্লাহ তাআলা ইউসুফ (আ.)-কে পৃথিবীর সম্পদের দায়িত্বশীল করার পর তার ভাইয়েরা তার কাছে এলে তিনি তাদের সঙ্গে উত্তম আচরণ করেন। আল্লাহ বলেন, তোমরা কি দেখছ না, আমি পরিমাপ পূর্ণভাবে দিই এবং আমি উত্তম আতিথেয়তাকারী? (সুরা ইউসুফ, আয়াত: ৫৯)

এটি মানুষের অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রে বিশ্বস্ততার উদাহরণ। একই সঙ্গে ভাই ও আত্মীয়দের অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রেও এটি একজন মহান নবীর চরিত্রের উপযুক্ত দৃষ্টান্ত।

বিশ্বস্তদের জন্য আল্লাহ তায়ালা মহাপুরস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেন, নিশ্চয়ই নেককাররা এমন পানপাত্র থেকে পান করবে, যার মিশ্রণ হবে কর্পূর। এটি এমন একটি ঝরনা, যেখান থেকে আল্লাহর বান্দারা পান করবে; তারা তা প্রবাহিত করবে। তারা মানত পূর্ণ করে এবং এমন এক দিনের ভয় করে, যার অনিষ্ট হবে ব্যাপক। (সুরা আদ-দাহর, আয়াত: ৫-৭)

আল্লাহ তায়ালা তাদের নেককার হিসেবে উল্লেখ করেছেন। নেককারদের এমন অনেক গুণ রয়েছে, যা তাদের ঈমান ও ইবাদতের গভীরতার প্রমাণ দেয়। কিন্তু এই আয়াতে তাদের পুরস্কারের কথা বলার সময় বিশেষভাবে বিশ্বস্ততা ও ভয়—এই দুটি গুণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

কারণ, যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য নিজের ওপর আরোপ করা দায়িত্বও যথাযথভাবে পালন করে, সে আল্লাহর পক্ষ থেকে তার ওপর আরোপিত অন্যান্য দায়িত্ব আরও বেশি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবে। এটি ঈমানের শক্তির প্রমাণ। কারণ ঈমানের দৃঢ়তা ছাড়া কেউ অঙ্গীকার পূরণে এমনভাবে অবিচল থাকতে পারে না। আল্লাহর কাছে মানুষের মর্যাদার পার্থক্যও মূলত তাদের ঈমানের শক্তি ও দুর্বলতার ভিত্তিতে হয়ে থাকে। আল্লাহ বলেন, নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে মর্যাদাবান সে-ই, যে তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি তাকওয়াবান। (সুরা আল-হুজুরাত, আয়াত: ১৩)

আল্লাহ তার অনুগ্রহ ও দয়ায় আমাদের বিশ্বস্ত ও মুত্তাকিদের অন্তর্ভুক্ত করুন।

বিশ্বস্ততা কোরআনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা এবং ইসলামের অন্যতম মহৎ নৈতিক মূল্যবোধ। মানুষের সুষ্ঠু ও সুন্দর পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে এটি একটি মৌলিক ভিত্তি। বিশ্বস্ততা মানুষ ও তার প্রতিপালকের মধ্যে এবং ব্যক্তি ও সমাজের মধ্যে একটি সেতুবন্ধন তৈরি করে।

এটি মানুষকে ইবাদত ও লেনদেনের ক্ষেত্রে তার স্রষ্টার প্রতি অর্পিত দায়িত্ব পালনে উদ্বুদ্ধ করে। একই সঙ্গে অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি পূরণের মাধ্যমে সমাজের শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করে। দাম্পত্য ও পারিবারিক জীবন, কর্মক্ষেত্র, ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা সমাজের অন্য যেকোনো ক্ষেত্রে মুসলিমদের প্রতিশ্রুতি ও অঙ্গীকার পূরণে উৎসাহিত করে বিশ্বস্ততার এই শিক্ষা একটি সুন্দর ও সুশৃঙ্খল সমাজ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

মন্তব্য করুন

Your email address will not be published.

Don't Miss

নোবেল শান্তি পুরস্কার পেল নিহন হিদানকিও

চলতি বছর শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেল জাপানি সংস্থা নিহন হিদানকিও। রয়্যাল

পদার্থবিজ্ঞানে নোবেলজয়ীর নাম ঘোষণা আজ

আজ মঙ্গলবার সুইডেনের স্থানীয় সময় সকাল ১১টা ৪৫ মিনিট অনুযায়ী বাংলাদেশ
chief adviser dr. unus

ঢাকার যানজট সমস্যা সমাধানে নতুন উদ্যোগ

ঢাকার যানজট সমস্যা দূর করার জন্য নতুন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
mashrafe

যুক্তরাষ্ট্র টি-১০ লিগ দিয়ে ক্রিকেটে ফিরছেন মাশরাফি

যুক্তরাষ্ট্র মাস্টার্স টি-১০ লিগের মাধ্যমে প্রতিযোগিতামূলক ক্রিকেটে ফিরতে যাচ্ছেন বাংলাদেশের
dr. yunus

ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক হবে সমতা ও ন্যায্যতার ভিত্তিতে

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বৈষম্য বিরোধী

সবার জন্য গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সাক্ষরতার অভীষ্ট লক্ষ্য

ঐতিহাসিক জয়, যা ভাষায় প্রকাশ করার মত না : শান্ত

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট সিরিজ জয়কে দেশের ক্রিকেট ইতিহাসে যুগান্তকারী
chief adviser dr. unus

শিল্প প্রবৃদ্ধিকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে ব্যবসায়ী নেতাদের সহায়তা প্রদানে প্রধান উপদেষ্টার আশ্বাস

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলাদেশের শিল্প প্রবৃদ্ধিকে নতুন

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট জয় বাংলাদেশের

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঐতিহাসিক টেস্ট জিতলো বাংলাদেশ। দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম

বন্যার্তদের জন্য ধর্ম মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিদের এক দিনের বেতনের অর্থ প্রদান

বন্যার্তদের সহায়তায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারিদের

ইসরায়েলিদের জন্য ভিসা সীমিত করেছে যুক্তরাষ্ট্র

ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকদের বিরুদ্ধে সহিংসতার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের ২০টিরও বেশি

‘প্রিয় মালতী’ হয়ে মিশর যাচ্ছেন মেহজাবীন

পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। চলচ্চিত্র জগতে পা রেখেই রীতিমতো

মেহেরপুরে সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রীর অনুকূলে বরাদ্দ দেয়া ত্রাণের মালামাল উদ্ধার

জেলা শহরের কাশ্যাপ পাড়ায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে সাবেক জনপ্রশাসন